তো কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল আছেন তন্ত্র মন্ত্র রিলেটেড বশীকরণ জগতে সবাইকে স্বাগত আজকের এই পোস্টে দেওয়া হবে ভালোবাসায় অস্থির করার তদবীর। আজকের এই পোস্টে যে মাদুলি বা তাবিজ ঝুলিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা বশীকরণ প্রয়োগ দেওয়া হবে এটা পরীক্ষিত এবং কখনো বিফল হয় না।
.jpg)
তো সর্বপ্রথম আমি একটি নকশা দেখাবো এই নকশাটি আপনাদের তৈরি করতে হবে অর্থাৎ অঙ্কন করতে হবে তো চলুন সর্বপ্রথম নকশাটি দেখে নেওয়া যাক।

এই হল নকশা এই নকশা দ্বারা আপনি প্রেমিক হয়ে প্রেমিকাকে এবং প্রেমিকা হয়ে প্রেমিককে বশীকরণ করতে পারবেন যদি আপনি প্রেমিক হয়ে প্রেমিকাকে বশীকরণ করতে চান অর্থাৎ ছেলে হয়ে মেয়েকে বশীকরণ করতে চান তাহলে এই নকশাতে যেভাবে লেখা আছে প্রথমে মেয়ের নাম তারপরে মেয়ের মায়ের নাম এবং তারপর ছেলের নাম এবং ছেলের বাবার নাম যেভাবে লেখা রয়েছে নকশাটি আপনাকে এভাবে অঙ্কন করতে হবে।
আর আপনি যদি প্রেমিকা হয়ে প্রেমিককে বশীকরণ করতে চান সে ক্ষেত্রে উল্টো এখানে ঠিক আপনাকে উল্টো ভাবে লিখতে হবে অর্থাৎ প্রথমে ছেলের নাম তার পরে ছেলের বাবার নাম এবং নিচে মেয়ের নাম এবং তারপরে মেয়ের মায়ের নাম। নামের জায়গাতে যেই সব ব্যক্তির নাম লিখতে বলা হয়েছে তাদের নাম পদবি সহ লিখতে হবে।
নকশাটি আপনি যখন তৈরি করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই ষটকর্ম জানতে হবে এবং ষটকর্মের মধ্যে যে বশীকরণ কর্ম রয়েছে সেই বশীকরণ কর্মের নিয়ম অনুসারে এই নকশাটি তৈরি করতে হবে। যদি আপনি ষটকর্ম না জেনে থাকেন তাহলে নিচে ভিডিও দেওয়া হল এই ভিডিওটি দেখে নিলে আপনি ষটকর্ম জেনে যাবেন।
আপনি এই নকশাটি তৈরি করবেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অবস্থায় শুদ্ধ পোশাক পরিধান করে একাকী নির্জন ঘরে বসে। এবং যেদিন এই নকশা অংকন করবেন সেদিন সম্পূর্ণভাবে আপনাকে নিরামিষ খেতে হবে এবং মিথ্যা কথা বলা যাবে না, তো যখন আপনি নকশা তৈরি করবেন তখন আপনি যে ঘর বেছে নিয়েছেন অর্থাৎ নির্জন ঘরে বসে যখন আপনি নকশা তৈরি করবেন তখন ভগবানের মূর্তি অথবা চিত্র রেখে সেখানে মোমবাতি জ্বালাবেন মোমবাতি জ্বালানোর পরে আপনি কিছুক্ষণ ধরে ভগবানের ধ্যান করবেন ধ্যান করার পরে ভোজপত্রের উপর জাফরানের কালি দিয়ে ডালিম ডালের কলম দিয়ে এই যন্ত্রটি অঙ্কন করতে হবে অথবা দাগ বিহীন সাদা কাগজের উপর একটি লাল কালির জেল পেন দিয়ে সাদা কাগজের উপর একাগ্র চিত্তে এই নকশাটি অংকন করবেন সম্পূর্ণ নিষ্ঠা ভক্তি সহকারে।
এই নকশা বা যন্ত্রটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে গেলে আপনি নকশা বা যন্ত্রটিকে প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং চক্ষুদান করবেন। যদি আপনি প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং চক্ষুদান কিভাবে করতে হয় না জেনে থাকেন তাহলে নিচে ভিডিও দেওয়া হল আপনি এই ভিডিওটি দেখে নিলে বুঝে যাবেন কীভাবে যন্ত্র যন্ত্রমে প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং চক্ষুদান করতে হয়।
যন্ত্রটিকে চক্ষুদান এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠা করার পরে যন্ত্রটিকে ভালো করে ভাঁজ করে সাদা অথবা কালো কাপড় দিয়ে মুড়ে সুতো দিয়ে বেঁধে সেই যন্ত্রটি কে আপনাকে যে কোনো উঁচু গাছের ডালে বেঁধে আসতে হবে যখন আপনি এই যন্ত্রটি উঁচু গাছের ডালে বাঁধবেন তখন একটা জিনিস লক্ষ্য রাখবেন যেন এই যন্ত্রটি বাতাসে ভালো ভাবে দুলতে পারে।
বাতাসে দোলার সময় যেন অন্য ডালের সাথে আঁচড় না লাগে সেরকম হিসেবে আপনাকে মগডালে বেঁধে আসতে হবে। এবার আপনি শুধুমাত্র কয়েকদিন অপেক্ষা করুন আপনার মনের কাংখিত ব্যক্তি বশীভূত হয়ে যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত তদবীর।
আশা করি আজকের ভিডিওর সম্পূর্ণ অংশ আপনি বুঝে গেছেন, আপনাদের জন্য আমাদের এই প্রয়াস। যদি আপনার আমাদের এই পোষ্ট টি ভাল লাগে তাহলে আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকবেন এবং এই পোষ্ট টি শেয়ার করতে ভুলবেন না ? ধন্যবাদ।
0 মন্তব্যসমূহ