বশীকরণ জগতে সবাইকে স্বাগত আজকের এই পোস্ট টিতে আপনাদের জানানো হবে দুটি আত্মসার অর্থাৎ শরীর বন্ধন বা দেহ বন্ধন মন্ত্র ! সিদ্ধ করার প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র মুখস্ত করে নিলেই হবে।
তন্ত্র মন্ত্র দিয়ে যখন কোন রোগের চিকিৎসা করা হয় তখন নিজের শরীরকে এই বন্ধন মন্ত্র দিয়ে বেঁধে নিতে হয় অথবা আপনি রাতের বেলা কোথাও গেলে এই শরীর বন্ধন মন্ত্র দিয়ে শরীর বেঁধে রাখতে পারেন অথবা আপনি যদি শ্মশান থেকে কোন কিছু উদ্ধার করে নিয়ে আসতে চান সেক্ষেত্রে ও এই মন্ত্র দিয়ে আপনি আপনার শরীর বন্ধন করতে পারেন, তো আজকে আমি আপনাদের দুটো গুরুমুখী মন্ত্র দেব যেকোনো একটি মন্ত্র প্রয়োগ করে আপনি আপনার শরীর বন্ধন করতে পারবেন।
আত্মসার - শরীর বন্ধন মন্ত্র
মন্ত্রঃ-------------------------------
জল বান জল বান স্থল বান
বান আপন কায়া
নায়না-যােগিনকো চোখ বান
দোহাই মহাবীর স্বামীকো
বাঁয়ে কাগ ডাইনে যায়
দোহাই মহাবীর স্বামীকো
আকাশ বান ধরতী বান
বান আপন কায়া
দোহাই হলুমান স্বামীকো
দোহাই মহাবীর স্বামীকো
খাট বাট কায়া নির্ভয় হওনা চাই
দোহাই মহাবীর স্বামীকো ॥
মন্ত্রঃ-------------------------------
পার্ব্বতী কাটে সূত্রী
মহাদেব বিনে জাল
জালমে বাজে বাগগুলবারা।
তাকে বাঁধে লােহাকা পারা
আল্ বাঁধে আওলাত বাঁধে
লােক বাঁধে লছমী বাঁধে
আর বাঁধে মারখট্টী
আর বাঁধ আপন কায়া
যেনে যেনে যাও তেনে তেনে
আড়াই ক্রাশ ধরতী বাঁধ
দোহাই গৌরা পার্ব্বতীকা ॥
এই দুটি মন্ত্রের যেকোনো একটি মন্ত্র আপনি প্রয়োগ করতে পারবেন এই দুটি মন্ত্র সর্বপ্রথম আপনি যেকোনো শুভ দিন অথবা শুভ তিথিতে মুখস্ত করে নেবেন পর্যাপ্ত পরিমাণে পাঠ করে শুভ দিন অর্থাৎ শনি মঙ্গল অথবা বৃহস্পতিবার দিন আপনি এই মন্ত্র মুখস্ত করতে পারেন আর তিথি বলতে যে রকম পূর্ণিমা, অমাবস্যা, সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ ইত্যাদি এটা হচ্ছে - সিদ্ধ মন্ত্র বা গুরুমুখী বিদ্যা।
এই মন্ত্র গুলো সিদ্ধ করার প্রয়োজন হয় না শুধুমাত্র মুখস্থ করে নিলে এই মন্ত্র দিয়ে কাজ হবে। যখন আপনি এই দুটোর যেকোনো একটি মন্ত্র প্রয়োগ করবেন আপনি এর মধ্যে যেকোনো একটি মন্ত্র মানে প্রথম মন্ত্র এবং দ্বিতীয় মন্ত্র যদি প্রথম মন্ত্র এপ্লাই করেন তাহলে প্রথম মন্ত্রটি আর যদি দ্বিতীয় মন্ত্র এপ্লাই করেন তাহলে দ্বিতীয় মন্ত্র, যে কোন একটি মন্ত্র আপনি তিনবার বলে নিজের বুকে তিনটি ফুঁ দেবেন
অর্থাৎ পুরো মন্ত্রটি একবার বলে একটি ফুঁ আবার বলে আবার ফুঁ আবার বলে আবার ফুঁ এভাবে মন্ত্রটি মোট তিনবার বলে তিনটি ফুঁ নিজের বুকে দিলে কোনো আপদ বিপদ এর ভয় থাকে না বিশেষতঃ ভূতপ্রেতাদি উপদেবতা বা বিরুদ্ধাচারী ওঝারা কোনরূপ অনিষ্ট সাধনে সমর্থ হয় না। এজন্য মন্ত্র দ্বারা চিকিৎসা করার পূর্বেই নিজ শরীর বন্ধন করা অতি অবশ্য কৰ্ত্তব্য। প্রয়ােজনানুসারে রােগীর মাথায় গায় ফুঁ দিতে হয়।
আশা করি আজকের ভিডিওর সম্পূর্ণ অংশ আপনি বুঝে গেছেন, আপনাদের জন্য আমাদের এই প্রয়াস ! যদি আপনার আমাদের এই পোষ্ট টি ভাল লাগে তাহলে আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকবেন এবং এই পোষ্ট টি শেয়ার করতে ভুলবেন না ? ধন্যবাদ !

0 মন্তব্যসমূহ