Ad Code

Ticker

6/recent/ticker-posts

তুলসী পাতার গুণাগুণ | তুলসী পাতার উপকারিতা

তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এই তুলসী পাতার অনেক গুণাগুণ রয়েছে। গ্রাম গঞ্জে বিভিন্ন ধরনের তুলসি গাছ দেখা যায় যেমন বাবুই তুলসী, রাম তুলসী, কৃষ্ণ তুলসী, শ্বেত তুলসী ইত্যদি।

তুলসী পাতার উপকারিতা

এই গাছ থেকে আমরা অনায়াসে কিছু উপকরণ তৈরি করতে পারি যা কঠিন রোগের ঔষধ। তুলসী গাছের পাতা, বীজ, ছাল ও শেকড় সবকিছুই অতি প্রয়োজনীয়। ঔষধি গুণের এই তুলসী বিভিন্ন রোগ সারাতে সক্ষম। তুলসীর বৈজ্ঞানিক নাম: OCIMUM SANCTUM এবং ইংরেজি নাম: TULSI.


তুলসী পাতার গুণাগুণ :-

দীর্ঘদিনের সর্দি ও খুসখুসে কাশিতে কিছু তুলসি পাতা জলে দিয়ে সেই জল ফুটিয়ে নির্যাস বের করে সামান্য আদা ও মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ও জ্বর ভালো হয়। তুলসির এই নির্যাস খেতে হবে পাঁচ থেকে সাত দিন তিন বেলা করে। শিশুদের সর্দি কাশিতে চার থেকে দশ ফোঁটা তুলসি পাতার রসের সঙ্গে তিন থেকে পাঁঁচ ফোঁটা মধু মিশিয়ে তিন বেলা খাওয়ালে সর্দি কাশি দুই তিন দিনের মধ্যে ভালো হয়।


ব্রংকাইটিস ও ডাইরিয়া এর জন্য তুলসি ভালো ফল দায়ক। তুলসির পাতা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি খেতে হবে কয়েক সপ্তাহ ধরে।


গরমে কেউ না ঘামলে ঘাম ঝরাতে ভূমিকা রাখে তুলসি। তুলসির পাতা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি খেতে হবে কয়েক সপ্তাহ ধরে।


তুলসির কাঁচা পাতার রস বা তুলসির বীজ থেঁতো করা রস সামান্য গরম করে চুলকানি সহ বিভিন্ন চর্ম রোগে লাগালে সেই রোগের উপশম ঘটে।


তুলসি পাতা বছরের প্রতিদিন খেলে কোন প্রকারের-রোগ ব্যাধি হয় না। তুলসি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।


স্নান করার আগে কিছু তুলসী পাতা জলে দিয়ে সেই জল দ্বারা স্নান করলে কোন প্রকার চর্মরোগ হয় না।


তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে দাঁতে পোকা লাগে না এবং দাঁত মজবুত ও উজ্জ্বল হয় ও দাঁতের আয়ু বৃদ্ধি হয়।


সাবান, তেল, ক্রিম প্রভৃতির স্থলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে নানা প্রকার দৈহিক সুস্থ্যতা লাভ হয়ে থাকে।


চোখ উঠা একটি সংক্রামক রোগ। ঠান্ডা ও গরমে ঘোরা ফেরার ফলে এ রোগ হয়ে থাকে। এ অবস্থায় তুলসী পাতার রস চোখে কাজলের মতো করে লাগালে বা তুলসী পাতার রসের সঙ্গে সামান্য পরিমান মধু মিশিয়ে চোখে দিলে চোখ উঠা রোগ বা পানি পড়া রোগের আরোগ্য হয়।


কুষ্ঠ রোগ হলে তুলসী পাতার রস সেবন করলে রোগ আরোগ্য হয়ে থাকে।


শ্বেত রোগে কিছু পরিমাণ তুলসী পাতা সকাল, দুপুর ও বিকেলে চিবিয়ে খেলে এ রোগ থেকে আরোগ্য পাওয়া যায় এবং তুলসী গাছের মূলের রস দাগের উপর প্রলোপ দিলে দাগ সেরে যায় ।


গর্ভাশয়ের সমস্যায় গর্ভপাত হলে তুলসীর বীজ ২৫ গ্রাম পেষন করে খেলে উপকার হয়।


জন্ডিস একটি পরিচিত রোগ এ রোগে তুলসীর রস ১০ গ্রাম এবং ৫০ গ্রাম তুলসী গাছের মূলের রস একত্র করে মিশিয়ে খেলে আরোগ্য লাভ হয়। একমাস পর্যন্ত দিনে ৩ বার সেবন করলে দেহে রক্তস্বল্পতা ও হলদে বর্ণ দূর হয়।


অন্ডকোষ টনটন করলে চার তোলা পরিমান তুলসি পাতার রসের সাথে একই পরিমান মিছরির গুড়ো মিশিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমে থাকে। 


ঘনঘন প্রস্রাব হলে আধা ইঞ্চি লম্বা তুলসির শিকড় কেটে পানের সাথে খেলে কয়েক দিনের মধ্যেই সুফল পাওয়া যায়।


শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে কিংবা পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তুলসি পাতার রস লাগিয়ে দিলে সাথে সাথে জ্বালা যন্ত্রণা কমে যায়।


আপনাদের জন্য আমাদের এই প্রয়াস। যদি এই পোষ্ট টি আপনার ভাল লাগে তাহলে আমাদের YT চ্যানেলটিকে SUBSCRIBE করবেন আমাদের FB পেজটিকে LIKE করবেন এবং এই পোষ্ট টি শেয়ার করতে ভুলবেন না ? ধন্যবাদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code